29/10/2025
#রামকৃষ্ণমঠ
#ইতিহাস
আঁটপুর হুগলি জেলার একটি বর্ধিষ্ণু গ্রাম। আঁটপুরের অন্যতম আকর্ষণ হল আঁটপুর জমিদারের মিত্রবাটী, যা লোকমুখে আঁটপুর মিত্র রাজবাটী। এখানে অবস্থিত অনবদ্য টেরাকোটা মন্দিরের জন্য বিখ্যাত আঁটপুর।
আঁটপুরের সবথেকে বিখ্যাত মন্দির হল মিত্রবাটীর রাধাগোবিন্দজিউ মন্দির। এটি প্রায় ১০০ ফুট উঁচু । এটি ভারতের সবচেয়ে উচ্চতম ও দ্বিতীয় বৃহত্তম টেরাকোটা মন্দির। বর্ধমান রাজের দেওয়ান মহাত্মা কৃষ্ণরাম মিত্র এই মন্দিরটি গঠন করান। মন্দিরটি নির্মাণ সম্পূর্ণ হয় ১৭৮৬ খ্রিষ্টাব্দে (১৭০৮ শকাব্দে)। মন্দিরটির গায়ে অসাধারণ টেরাকোটা বা পোড়ামাটির কারুকার্য আছে। মন্দিরের ভিতের ইঁটগুলি গঙ্গামাটি ও গঙ্গাজলে তৈরি। টেরাকোটার বিষয়গুলি নেওয়া হয়েছে ১৮টি পুরান, রামায়ণ, মহাভারত, ভারতের ইতিহাস এবং মন্দির গড়ার সমসাময়িক বিষয় থেকে। মন্দিরটির চণ্ডীমণ্ডপ এবং দোলমঞ্চে কাঠের কারুকার্য আছে।
এছাড়াও বর্তমানে আঁটপুরে বিখ্যাত আঁটপুর রামকৃষ্ণ মঠ।
আঁটপুরে বাবুরাম ঘোষের (যিনি পরবর্তীকালে স্বামী প্রেমানন্দ বলে পরিচিত হন) গ্রামের বাড়ি ছিল। আঁটপুরেই স্বামী বিবেকানন্দ এবং রামকৃষ্ণ পরমহংসের আরো আটজন শিষ্য ১৮৮৬ খ্রিষ্টাব্দের ২৪ ডিসেম্বর তারিখে সন্ন্যাস গ্রহণ করার সংকল্প নিয়েছিলেন।আঁটপুরে স্বামী প্রেমানন্দের জন্মস্থানের উপর রামকৃষ্ণ-প্রেমানন্দ আশ্রম গড়ে উঠেছে। বর্তমানে এই স্থানটি রামকৃষ্ণ মিশন দ্বারা সংরক্ষিত।
এছড়াও রয়েছে আরও ইতিহাসের সাক্ষী, সেগুলি জানতে গেলে রবিবার চলুন বেরিয়ে পরি আঁটপুরের উদ্দেশ্যে...
বাস ছাড়ছে শ্রীরামপুর থেকে।
খরচ মাথাপিছু 1299 টাকা... কাল রাতের মধ্যে জানাতে হবে..
বুক করতে হবে 700 টাকা দিয়ে...
থাকছে সকালের জলখাবার থেকে সান্ধ্য টিফিনের ব্যবস্থাও, খাওয়ার জলের বোতলও দেওয়া হবে...
তাই নিজেই সঙ্গী ও বন্ধুদের সঙ্গে করে সকাল সকাল বাসে উঠে পরলেই হল...
কথা দিলাম সেরা দিন উপহার পাবেন...
আরো জানতে যোগাযোগ করুন: 8910256300 (তপতৃষা)
#চলন্তিকা
#তপতৃষা