Rudraksha

Rudraksha How Rudraksha Healing Works

Rudraksha beads, botanically known as Elaeocarpus Ganitrus Roxb, are the seeds of the fruit from Rudraksha trees.

Rudraksha is actually two words Rudr meaning lord shiva in a wrathful form and Aksha means eyes The story of Rudraksha is as unique as the divine seed itself Shiva Purana describes Rudrakshas origin as Lord Shiva’s tears. Rudraksha trees are found mainly in Indonesia, Nepal, and India. There are clefts on the surface of the beads which are used to characterize the beads. For example, a five facet

Rudraksha bead has five clefts on it (shown below on the left). A ten facet Rudraksha bead has ten clefts on it (shown below on the right).

14/04/2026

গ্রহদোষ আসলে কী ????
গ্রহদোষ মানে কোনো অভিশাপ নয়। এটা আসলে একটা অসমতা। কোনো শক্তি বেশি, কোনো শক্তি কম।
কিন্তু সত্যি করে বলুন তো, একটা পাথর কি মানুষের চরিত্র বদলাতে পারে? অভ্যাস বদলাতে পারে? কর্মফল বদলাতে পারে?
জ্যোতিষের গভীরে গেলে উত্তরটা একটু অন্যরকম।
কোন গ্রহের জন্য সাধারণত কোন রত্ন বলা হয়-
1. সূর্য — মানিক
2. চন্দ্র — মুক্তা
3. মঙ্গল — লাল প্রবাল
4. বুধ — পান্না
5. বৃহস্পতি — পুখরাজ
6. শুক্র — হীরা / সাদা পুখরাজ
8. শনি — নীলম
9. রাহু — গোমেদ
10. কেতু — লহসুনিয়া (ক্যাটস আই)
গভীর সত্য'
অনেক সময় রত্ন দরকার হয়। কিন্তু অনেক সময় রত্ন ছাড়াও গ্রহ শান্ত হয়। গ্রহ শক্তির প্রতীক। আপনার আচরণ, আপনার কর্ম, আপনার শৃঙ্খলাই আসল রত্ন। রত্ন হলো বাহ্যিক সহায়তা।
কিন্তু অন্তরের সংশোধন- সেটাই স্থায়ী সমাধান।
তাহলে কী করবেন-
✔ আগে সঠিক বিশ্লেষণ
✔ তারপর সিদ্ধান্ত
✔ অন্ধভাবে রত্ন নয়
✔ সচেতনভাবে প্রতিকার
কারণ ভুল প্রতিকার---> সমস্যাও বাড়ে।
ভুল উপায়ে প্রতিকারের চেষ্টা করলে দীর্ঘমেয়াদী স্মৃতিভ্রংশ, উদ্বেগ বা হতাশার মতো জটিলতা দিন দিন বাড়তে পারে ।
জ্যোতিষশাস্ত্রীয় ভুল প্রতিকার সমস্যা বাড়িয়ে তুলতে পারে কারণ ভুল রত্ন বা আংটি ভুল আঙুলে ধারণ করলে গ্রহের নেতিবাচক প্রভাব উল্টে যেতে পারে, যা বাস্তু বা ব্যক্তিগত জীবনে জটিলতা সৃষ্টি করে । সঠিক জন্মছক বিশ্লেষণ না করে বা অপরিপক্ক জ্যোতিষীর পরামর্শে প্রতিকার নিলে সুফলের বদলে সমস্যা যেমন ছিল তেমনই থেকে যেতে পারে বা পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে ।
তাই, ভুল প্রতিকার ধারণ করলে তা উপকার না করে উল্টে সমস্যা বৃদ্ধির কারণ হতে পারে ।
অবিলম্বে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিয়ে সঠিক কারণ নির্ণয় করাই হলো এই সমস্যা সমাধানের মূল চাবিকাঠি।

18/02/2026

প্রশ্নঃ- ধর্ম কাকে বলে?
উঃ- যতোহভ্যুদয়নিঃশ্রেয়সসিদ্ধিঃ স ধর্মঃ।। (বৈশেষিক দর্শন– ১/১/২)
সূত্রার্থঃ- (যতঃ) যা দ্বারা (অভ্যুদয়) এই সংসারের [বিশ্বের] উন্নতি এবং (নিঃশ্রেয়স) মোক্ষ (সিদ্ধিঃ) সিদ্ধি হয় (স ধর্মঃ) তাকে ধর্ম বলা হয়। যা দ্বারা বিশ্বের উন্নতির সহিত শান্তি এবং উত্তম আনন্দ প্রাপ্তি হয় তাহাই ধর্ম।

প্রশ্নঃ- ধর্ম শব্দের অর্থ কি?
ধর্ম শব্দের ব্যাকরণগত মূল ধাতু 'ধৃ' এর উপর আশ্রিত। 'ধৃ' অর্থ ধারণ করা। 'ধৃ' ধাতু দ্বারা নির্মিত হওয়ায় ধর্ম শব্দের অর্থ ধারণকারী।

প্রঃ- ধর্মের লক্ষন গুলো কি কি?
ধৃতি ক্ষমা দমোऽস্তেয়ং শৌচমিন্দিয্রনিগ্ৰহঃ।
ধীর্বিদ্যাসত্যমক্রোধো দশকং ধর্ম লক্ষণম্।।
(মনুসংহিতা ৬/৯২)
অর্থ- ধৃতি (ধৈর্য্য),ক্ষমা,দম (দমন অর্থাৎ মনে উদয় হওয়া কুচিন্তা, কুকর্মের ভাবনাকে দমন করা),আস্তেয় (চুরি,ছলকপটতা, বিশ্বাসঘাতকতা না করা),শৌচ (পবিত্রতা), ইন্দ্রিয় নিগ্রহ(ইন্দ্রিয় দমন),ধীঃ(মাদকদ্রব্য,কুসঙ্গ,আলস্য,ব্যাভিচার ত্যাগ),বিদ্যা(জ্ঞান),সত্য,আক্রোধ (ক্রোধ না হওয়া) এই দশটিকে ধর্মের লক্ষন বলে জানিবে।

সনাতনমেনমাহুরুতাদ্য স্যাপ্তুনর্ণবঃ।
অহোরাত্রো প্রজায়েতে অন্যো অন্যস্য রূপয়ো।। অথর্ববেদ ১০/৮/২৩।।
যেভাবে দিন ও রাত এক রূপ হতে অন্য রূপে রূপান্তরিত উৎপন্ন হয়।দিনের পর রাত এবং রাতের পর দিন হয় এ জন্য রাত দিন নতুন নতুন লাগে।এই প্রকার সনাতন (চিরন্তন) হয়েও প্রভু নবীন হতে নবীন।প্রভু কখন ও জীর্ন হন না। ঈশ্বর সনাতন (চিরন্তন), ঈশ্বর কতৃক প্রতিষ্ঠিত ধর্মও সনাতন।

প্রঃ- আমাদের ধর্মের নাম যে সনাতন তার প্রমাণ কি?
উঃ- বেদোক্তঃ পরমো ধর্মঃ স্মৃতিশাস্ত্রগতোহপরঃ।
শিষ্টাচীর্ণেহপরঃ প্রোক্তস্ত্রয়ো ধর্মাঃ সনাতনাঃ।। (মহাভারত ,অনুশাসন পর্ব- ১৪১/৬৫)
অনুবাদঃ- প্রথমেই বেদোক্ত ধর্ম, যা সব থেকে উৎকৃষ্ট (শ্রেষ্ঠ) ধর্ম। দ্বিতীয় বেদানুকূল স্মৃতিশাস্ত্রে বর্ণিত - স্মার্তধর্ম এবং তৃতীয় শিষ্ট পুরুষের আচরিত ধর্ম (শিষ্টাচার) এই তিনই সনাতন ধর্ম ।

প্রঃ- বেদ যে সকল মানবজাতির জন্য তার প্রমাণ কি?
উঃ- য়থে॒মাং বাচং॑ কল্যা॒ণীমা॒বদা॑নি॒ জনে॑ভ্যঃ । ব্র॒হ্ম॒রা॒জ॒ন্যা᳖ভ্যঃ শূ॒দ্রায়॒ চার্য়া॑য় চ॒ স্বায়॒ চার॑ণায় ।।যজুর্বেদ ২৬/২।।
অর্থ- চারিবেদরূপ কল্যাণকারিণী বাণী ব্রাহ্মণ, ক্ষত্রিয়, বৈশ্য, শূদ্র এবং নারী সহ সকল মনুষ্যদিগের হিতের জন্য আমি(আমি-ঈশ্বর) উপদেশ করিয়াছি, ইহাতে কাহারও অনধিকার নেই ।

শুধু তাই নয়,বেদ সমস্ত জীবের কল্যাণকারী-
"অন্নপতেऽন্নস্য নো দেহ্যনমীবস্য শুষ্মিণঃ।
প্রপ্র দাতারং তারিষऽঊর্জং নো ধেহি দ্বিপদে চতুষ্পদে।।
যজুর্বেদ ১১/৮৩।।
অনুবাদঃ হে অন্নের স্বামী !আপনি আমাদের সুস্বাস্থ্যযুক্ত ও বলকারী অন্ন প্রদান করুন,দীন-দুঃখী ও অভাবে পীরিতদের অন্ন প্রদান করে তাদের প্রতি কৃপা দৃষ্টি দিন।দ্বিপদী ও চতুষ্পদী প্রাণীদের জন্য অন্ন,বল ও পরাক্রম প্রদান করুন।

প্রঃ- অধর্ম কাকে বলে?
উঃ- পক্ষপাত,অন্যায়,হিংসা,অসত্যাচরণ, ঈশ্বরাজ্ঞা ভঙ্গ করাকে অধর্ম বলা হয়।

প্রশ্ন- মতবাদ কি?
উঃ- মতবাদ হলো মনুষ্যের মনগড়াভাবে বানানো রীতি-রেওয়াজ বা মান্যতা।

প্রশ্ন- বিভিন্ন মতবাদের উদ্ভব হয় কেন?
উত্তর : অজ্ঞান,অবিদ্যা,স্বার্থ ও ঘটনা বিশেষের কারণে।

প্রশ্ন- বিভিন্ন মতবাদ কি হানিকর?
উত্তর : হ্যাঁ! পরস্পর বিরোধ হয় যার জন্য সাম্প্রদায়িক দোষ উৎপন্ন হয় এবং রাষ্ট্র বিঘটন হয়।

প্রশ্ন- বিভিন মতপথ কি এক হওয়া সম্ভব?
উত্তর : হ্যাঁ! সত্যকে গ্রহণ এবং অসত্যকে ত্যাগ দ্বারা সম্ভব।

প্রশ্ন- সত্যের নির্ণয় কিভাবে হয়?
উত্তর : সত্য তাহাই হয়, যা -
(ক) শাস্ত্রবেদানুকূল হয়।
(খ) সৃষ্টি নিয়মানুকূল হয়।
(গ) আত্মানুকূল হয়।
(ঘ) আপ্তবচন হয়।
(ঙ) প্রমাণসিদ্ধ হয়।

18/02/2026

যে কোনো গ্রহদোষ বা জীবনে নানা দোষ থেকে:-------
1. সাত্ত্বিক আহার & আচরণ + রত্ন & রুদ্রাক্ষ ধারণ + মন্ত্র জপ & সব দোষ এর প্রতিকার করেও সর্বোচ্চ 60%-80% প্রতিকার করা যায় ।

2. রাজসিক আহার & আচরণ + রত্ন & রুদ্রাক্ষ ধারণ + মন্ত্র জপ & সব দোষ এর প্রতিকার করেও মাত্র 35%-50% প্রতিকার করা যায় ।

3. তামসিক আহার & আচরণ + রত্ন & রুদ্রাক্ষ ধারণ + মন্ত্র জপ & সব দোষ এর প্রতিকার করেও মাত্র 10%-30% প্রতিকার করা যায় ।

সাত্ত্বিক আহার হলো আয়ুর্বেদিক ও যোগশাস্ত্র মতে বিশুদ্ধ, পুষ্টিকর এবং প্রাকৃতিক খাবার যা শরীর ও মনকে শান্ত, সুস্থ ও সচেতন রাখে । এই আহারে তাজা ফল, শাকসবজি, গোটা শস্য, বাদাম, বীজ, বিশুদ্ধ গব্য ঘি, গব্য দই এবং গব্য ঘোল-এর মতো হালকা ও হজমযোগ্য খাবার অন্তর্ভুক্ত থাকে ।

এটি শাস্ত্রীয় নীতি মেনে চলে, যা মানসিক শান্তি ও আধ্যাত্মিক উন্নতির জন্য সহায়ক।

সাত্ত্বিক আহারের মূল উপাদানসমূহ:-----------
1. তাজা ও প্রাকৃতিক খাবার: ঋতুভিত্তিক তাজা ফল এবং সবজি ।
2. গোটা শস্য: শ্রীঅন্ন, আতপঅন্ন, গোবিন্দভোগঅন্ন, বাজরার আটা এবং মুগ & গোটা বুট ডাল ।
3. দুগ্ধজাত পণ্য: বিশুদ্ধ গব্য ঘি, গব্য দই এবং গব্য ঘোল (সুষমভাবে সেবনযোগ্য) ।
(দুধ & পনির 100% নিষিদ্ধ )
4. বাদাম ও বীজ: কাঠবাদাম, আখরোট, কুমড়ার বীজ... ইত্যাদি ।
5. প্রাকৃতিক মিষ্টি: মধু, আখ এর রস এবং বিশুদ্ধ আখ /খেজুর গুড় ।
6. খাবারের ধরন: হালকা, কম মশলাযুক্ত, সুস্বাদু এবং সাধারণত তাজা তৈরি খাবার ।

বর্জনীয় বা অনুচিত খাবার (রাজসিক ও তামসিক):----------------
1. পেঁয়াজ, রসুন, মশলাদার বা তেলে ভাজা খাবার ।
2. যে কোনো প্রকারের বাসি বা প্রক্রিয়াজাত খাবার ।
3. যে কোনো প্রকারের দুধ & পনির
4. যে কোনো প্রকারের মাংস, মাছ এবং ডিম ।
5. যে কোনো প্রকারের রিফাইন্ড তেল , রিফাইন্ড চাল , গমের আটা
6. ক্যাফেইন (চা, কফি), বিড়ি -সিগারেট এবং অ্যালকোহল ।

সাত্ত্বিক আহারের উপকারিতা:-----------------
মানসিক প্রশান্তি: মনকে শান্ত, পরিষ্কার ও সুখী রাখতে সাহায্য করে ।
শারীরিক সুস্থতা: হজমশক্তি বৃদ্ধি করে, শরীরকে পরিষ্কার করে এবং প্রচুর শক্তি সরবরাহ করে ।

** আধ্যাত্মিকতা:** একাগ্রতা বৃদ্ধি ও আধ্যাত্মিক সাধনায় সাহায্য করে ।

সংক্ষেপে, সাত্ত্বিক আহার হলো প্রকৃতির দান থেকে সরাসরি পাওয়া খাবার যা শরীরে জড়তা না এনে সজীবতা বজায় রাখে ।

18/02/2026

অধিকাংশ জ্যোতিষীই বিংশোত্তরী দশা পর্যন্তই থেমে যান।
কিন্তু আসল সাফল্য আসে যখন আপনি আরো গভীরে যান।
যোগিনী দশা একটি শক্তিশালী, কম পরিচিত একটি পদ্ধতি যা একটি জন্মছকে আকস্মিক জীবন পরিবর্তন, কর্মিক পরিবর্তন এবং গোপন সময় প্রকাশ করে।

13/02/2026
13/02/2026

অর্থের বিনিময়ে বা চুক্তিতে শ্রীমদ্ভাগবত পাঠ করাকে শাস্ত্র কেন ‘ব্যবসা’ বলে অভিহিত করেছেন?
এই প্রক্রিয়ায় বক্তা ও শ্রোতা উভয়ের পারমার্থিক ক্ষতি কীভাবে হয়?
ভাগবত পাঠকে জীবিকা অর্জনের উপায় বা ব্যবসায় পরিণত করার বিরুদ্ধে শাস্ত্র এ কঠোর সিদ্ধান্ত
মূল সূত্রটি হলো:
“ভাগবত-ব্যবসা, নহে ভজন-আশা।।”
নিচে এর শাব্দিক অর্থ, তাত্ত্বিক ব্যাখ্যা এবং সিদ্ধান্ত বিস্তারিতভাবে তুলে ধরা হলো:
শাব্দিক অর্থ ভাগবত-ব্যবসা:
শ্রীমদ্ভাগবত বা পুরাণাদি শাস্ত্র পাঠ করাকে যারা রুজি-রুটির উপায় বা ‘পেশা’ (Business) হিসেবে গ্রহণ করেছে। অর্থাৎ, যারা টাকার বিনিময়ে চুক্তি করে ভাগবত পাঠ বা সপ্তাহ-যজ্ঞ করে।
নহে ভজন-আশা:-এটি ভজন-জীবনের আশা বা পারমার্থিক আকাঙ্ক্ষা হতে পারে না। এটি ভজনের নামে প্রতারণা বা আত্ম-প্রবঞ্চনা মাত্র।
সরল অর্থ:-টাকা রোজগারের জন্য ভাগবত পাঠ করা আর বাজারে আলু-পটল বিক্রি করার মধ্যে কোনো পার্থক্য নেই। এটি ব্যবসা হতে পারে, কিন্তু কৃষ্ণভজন নয়।

তাত্ত্বিক ব্যাখ্যা ও তাৎপর্য
ক) ভাগবত পণ্যদ্রব্য নয়:-- স্বয়ং শ্রীকৃষ্ণ (গ্রন্থ-রূপী ভগবান)। ভগবানকে বাজারে বিক্রি করা যায় না। যারা টাকার বিনিময়ে ভাগবত শোনায়, তারা ভগবানকে পণ্যদ্রব্য মনে করে। এটি গুরুতর নাম-অপরাধ এবং সেবা-অপরাধ।

“ধর্মের দোহাই দিয়ে জীবিকা নির্বাহ করা আর ধর্মের নামে ব্যভিচার করা একই কথা।”

খ) পেশাদার পাঠক বনাম শুদ্ধ ভক্ত:--তৎকালীন সমাজে (এবং বর্তমানেও) এক শ্রেণীর পাঠক ছিলেন যারা ‘সপ্তাহ-যজ্ঞ’ বা ‘পারায়ণ’ করার জন্য নির্দিষ্ট টাকা দাবি করতেন। সরস্বতী ঠাকুর এদেরকে ‘ধর্ম-ব্যবসায়ী’ বলতেন।

ভাগবত শুনতে হবে ‘ভাগবত-পরায়ণ’ ভক্তের কাছে, ‘টাকা-পরায়ণ’ পাঠকের কাছে নয়।

মহাপ্রভু সতর্ক করেছেন—
মায়াবাদী বা বিষয়ী লোকের মুখে হরিকথা শুনলে সর্বনাশ হয় (“বিষয়ী বিষ্ঠা প্রায়”)। যে পাঠক টাকার জন্য পড়ে, সে ‘বিষয়ী’। তার মুখের কথা শ্রোতার ভক্তি নষ্ট করে দেয়।

গ) উদর-ভরণ বনাম ভজন-সাধন:--যারা ভাগবতকে ব্যবসা বানায়, তাদের মূল উদ্দেশ্য থাকে ‘উদর-ভরণ’ (পেট চালানো), ‘ভজন-সাধন’ নয়।

শ্রোতাদের খুশি করে বেশি দক্ষিণা পাওয়াই তাদের লক্ষ্য থাকে, তাই তারা সত্য সিদ্ধান্ত কথা না বলে কেবল চটকদার গল্প বা সুর করে গান শোনায়।

হরিকথা বা ভাগবত হবে সম্পূর্ণ নিষ্কাম। বক্তা বলবেন ভগবানের প্রীতির জন্য (জীবের মঙ্গলে), আর শ্রোতা শুনবেন নিজের শুদ্ধির জন্য। মাঝখানে টাকার লেনদেন বা চুক্তি থাকলে সেই ভক্তি আর থাকে না, তা কর্মে পরিণত হয়।

শাস্ত্রীয় ভিত্তি--পদ্মপুরাণে বলা হয়েছে:
“যঃ ধনার্থং বদেৎ গাথাঃ সঃ ভবেৎ নাম-বিক্রয়ী।”
(যে অর্থের জন্য ভগবানের গাথা বা নাম কীর্তন করে, সে নাম-বিক্রয়কারী বা নাম-অপরাধী।)

এই শ্লোকের ওপর ভিত্তি করেই শাস্ত্রীয় সিদ্ধান্ত যে:--- ভাগবত বিক্রি করা আর নিজের ইষ্টদেবকে বিক্রি করা সমান পাপ।

সিদ্ধান্ত এই সূত্রের সারমর্ম হলো:--ভাগবত প্রচারের জন্য, ব্যবসার জন্য নয়।শুদ্ধ ভক্ত কখনো হরিকথা বলে টাকা দাবি করেন না। ভক্তের জীবিকা অন্য উপায়ে চলবে, অথবা তিনি কৃষ্ণের ওপর নির্ভর করবেন, কিন্তু শাস্ত্র বেচে খাবেন না।

“ভাগবত-ব্যবসা, নহে ভজন-আশা”—অর্থাৎ, যে ব্যক্তি ভাগবত বেচে খায়, সে ভজন করছে না, সে ব্যবসা করছে। তার দ্বারা নিজের বা জগতের কোনো কল্যাণ হয় না।

Address

Ratna Jyoti Showroom, Bahula, Near Netaji Statue, Dist:Paschim Bardhaman
Durgapur
713322

Opening Hours

Monday 9am - 7pm
Tuesday 9am - 7pm
Wednesday 9am - 7pm
Thursday 9am - 7pm
Friday 9am - 7pm
Saturday 9am - 7pm
Sunday 9am - 7pm

Telephone

+919732150484

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Rudraksha posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Rudraksha:

Share