03/07/2026
📌স্বনামধন্য একস্কুল আছে চট্টগ্রাম জামালখান মোড়ে।ওই স্কুলে-
👽 নিয়মকড়া,
👽মাস্টর কড়া,
👽পড়াশোনা কড়কড়া।
ভর্তি হতে হবে লটারি বা ডোনেশন দিয়ে।
গত ৩/৪ দিন ধরে ছুটির পর বাচ্চাদের কান্নাকাটি, ভয়ংকর রকমের জখম নিয়ে বেরিয়ে আসা,বের হয়ে অভিভাবক খুঁজে না পেয়ে আবারও কান্না,গাড়ির ঝামেলা তো ফ্রী।
শুধুমাত্র আজকের দিনেই ৩ টা বাচ্চা ভয়ংকর ভাবে আঘাত পেয়েছে, হাত ভেঙে গেছে ১ জনের।
শহরের প্রাণ কেন্দ্রে থেকেও কেন আমি ওখানে বাচ্চাদের পড়াই না? এই প্রশ্নের উওর দিতে দিতে আমি বিরক্ত হয়ে গেছি।
লটারি তে বাচ্চা ভর্তি করানোর পর এমনভাবে পোস্ট দিবে বা বলবে যেন বাচ্চাদের জন্য মহান কিছু করে ফেলেছে।
যত বেশি পড়ার চাপ,তত ভালো স্কুল এই কথায় আমি বিশ্বাস করি না।পিটিয়ে, ভয় দেখিয়ে পড়াশোনার দরকার নেই।
আমার বাচ্চাদের আমি খেলার ছলে পড়তে শিখিয়েছি,আচার-আচরণ, শৃঙ্খলা, আঘাত না করা এসব বোঝানোর চেষ্টা করেছি গল্পের ছলে।বাচ্চাদের কিসের প্রতি ঝোঁক বেশি,কি করতে তারা আনন্দ পায় সেটা খুঁজতে চেষ্টা করেছি এবং তাদের পছন্দের সাথে আরও গভীরভাবে যুক্ত করেছি।
কেউ গান শিখছে তাই আমিও দিয়ে দিলাম,
কেউ নাচ শিখছে,আমিও দিলাম। ড্রইং,আবৃত্তি,সুন্দর হাতের লেখা,গিটার সব সব গুলিয়ে খাইয়ে দিলাম😳
যে স্কুলে টিচারের সাথে এক শব্দ কথা বলা যায় না,ব্যাগের ভারে বাচ্চা নুইয়ে পড়ে,ছুটির সময় বের হতে গিয়ে আঘাত পায়,পড়ার চাপে হিমশিম খায় ওই স্কুলে আমার সন্তান না পড়লেও চলবে।
৫/৬ বছরের বাচ্চার ড্রইং এবড়ো থেবড়ো হবে এটাই স্বাভাবিক। উচ্চারণ ভুল ,উল্টোপাল্টা লাইন,তেড়্যাব্যাকা লেখা এসব ই সুন্দর।ওদের হাসতে দিন ফোকলা দাঁতে,হাসতে হাসতে লুটোপুটি করুক ওরা,আনন্দ করে বাঁচুক।
সন্তান কে মেশিন
নয়
মানুষ তৈরি করুন।